মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ জুন ২০১৫

বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ

বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭২-১৯৭৬) দেশজ কাঁচামাল ব্যবহারের মাধ্যমে সিরামিক পণ্য উৎপাদন এবং চাহিদা পূরনের পাশাপাশি বৈদেশিক মূদ্রা সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সিরামিক শিল্প স্থাপনের সংস্থান রাখা হয়।

 

তারই ধারাবাহিকতায় তৎকালীন সরকারের সুযোগ্য পৃষ্টপোষকতায় বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার, কেমিক্যাল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল কর্পোরেশণ (বিএফসিপিসি) এবং চেকোসেস্নাভাকিয়া সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মেসার্স প্রাগোইনভেস্ট এর যৌথ উদ্যোগে প্রণীত স্কীম অনুযায়ী ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে ঢাকার মিরপুরস্থ জাতীয় চিড়িয়াখানা সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে বিআইএসএফ কারখানা এবং শ্রমিক কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা সহ মোট ৩০.৩৭ একর জমির উপ স্থাপন করা হয়। এতদ্ব্যাতিত কারখানার অধীনস্ত জেলার জারিয়ায় কারখানার নিজস্ব ক্রয়কৃত ১৫.৩৮ একর জমি রয়েছে এবং সাদামাটি আহরনের জন্য খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুর হতে ৩০ হেক্টর (৭৫ একর) জমি কারখানা কর্তৃক লিজ নেয়া আছে। আনুমানিক স্থানীয় মুদ্রা ১০.৮৫ কোটি টাকা সহ মোট ৫০.৬০ কোটি টাকায় বিআইএসএফ এর প্রকল্প বাস্তবায়নার্থে মেসার্স প্রাগোইনভেস্ট ও বিসিআইসি’র মাধ্যমে বিআইএএফ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

 

এ লক্ষে ১৯৮১ইং সনে ৪০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন স্যানিটারীওয়্যার প্লান্ট এবং ২৪০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইনসুলেটর প্লান্টের উৎপাদন শুরম্ন হয়। পরবর্তীতে বাজার চাহিদার আলোকে হালকা ওজনের পণ্য উৎপাদন প্রবর্তন করায় সংখ্যাভিত্তিক উৎপাদন কিছুটা বৃদ্ধি করা সত্ত্বেও টন ভিত্তিক উৎপাদন যথাক্রমে ৩৪০০ মেঃ টন ও ১৪০০ মেঃ টন নির্ধারন হয়। ১৯৮৬-১৯৮৭ অর্থ বছরে ১১০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতার গ্লেজড টাইলস প্লান্ট সংযোজন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকার রিফ্র্যক্টরীজ উৎপাদন শুরু হয়। ২০০১ সাল হতে টাইলস্ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। 


Share with :
Facebook Facebook